- Get link
- X
- Other Apps
বিবি মারিয়াম এর জন্মের আগেই ওনার মা মান্নত করেছিলেন - তাঁর পেটের সন্তান কে তিনি মসজিদ এর খেদমতের জন্য ছেড়ে দিবেন . মান্নতের পর হযরত মারিয়াম এর জন্ম হল . তাঁর মা তাঁকে নিয়ে মান্নত পুরা করার জন্য বায়তুল মকাদ্দিস এ উপস্থিত হলেন.. সমবেত বুজুরগনের নিকট আরজ করলেন - এই মেয়েটি মান্নতের ; একে রেখে দিন ..
সকলেই মেয়েটির অপূর্ব আকৃতি প্রকৃতি ও রূপ লাবণ্যে মুগ্ধ হয়ে মেয়েটিকে লালন পালনের জন্য আগ্রহ প্রকাশ করলেন..
তাদের মাঝে হযরত জাকারিয়া (আঃ) ও ছিলেন যিনি সম্পরকে বিবি মারিয়াম এর খালু হইতেন..
অনেক বাদানুবাদের পর ঠিক হল বিবি মারিয়াম এর দেখা শুনা হযরত জাকারিয়া (আঃ) করবেন ..
অল্প দিনেই যথাযথ আদর যত্নে তিনি বেড়ে উঠতে লাগলেন .. দেখতে দেখতে শেয়ানা হয়ে গেলেন..
আল্লাহ তায়ালা বিবি মারিয়াম কে কুরান শরিফে '' অলি '' বলে উল্লেখ করেছেন ..অনেক সময় গায়েব হতে তাঁর জন্য সুস্বাদু ফল মুল আসতো .. হযরত জাকারিয়া (আঃ) এই ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলতেন '' এই সমস্ত আল্লাহ তায়ালার তরফ হতে প্রেরিত হয়েছে..''
মোট কথা বিবি মারিয়াম এর তামাম জিন্দেগি ছিল অলৌকিক .. এমন কি পরিনিত বয়সে তিনি আল্লাহ তায়ালার অসীম কুদরতে মা হন বিনা স্বামীতে .. আর এই সন্তান ই ছিলেন হযরত ঈসা (আঃ)
বিনা স্বামীতে সন্তান হওয়ায় জন সাধারণ সতীসাধ্বী বিবি মারিয়াম কে গালাগাল করতে লাগলো ..
নানা জনে নানা মিথ্যে তহমত দিতে লাগলো ... আল্লাহ তায়ালা বিবি মারিয়াম এর সন্তান হজরত ঈসা (আঃ) কে জন্মের সাথে সাথেই কথা বলার শক্তি দান করেন .. সদ্য প্রসূত শিশুর মুখে স্পষ্ট কথা শুনে সকলেই বুঝলেন যে তাঁর বিনা বাপে জন্ম হওয়া একমাত্র আল্লাহ তায়ালার অসীম কুদরত..
বস্তুত বিবি মারিয়াম নির্দোষ ও নিশকুলশ সতী নারী .. এতে কোন সন্দেহ নাই ..
হুজুরে আকরাম (সাঃ) বলেছিলেন '' নারী জাতির মধ্যে মাত্র ২ জন কামেল বুজুর্গ আছেন , এক জন বিবি মারিয়াম , অন্যজন বিবি আছিয়া ..''
- Get link
- X
- Other Apps
Comments
Post a Comment